Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • বড় সংঘাতের ইঙ্গিত! পাকিস্তানের রাজধানীতে ড্রোন হামলার দাবি আফগানিস্তানের
বিদেশ

বড় সংঘাতের ইঙ্গিত! পাকিস্তানের রাজধানীতে ড্রোন হামলার দাবি আফগানিস্তানের

afganistan drone attack
Email :3

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের (Afganistan) মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তাদের বিমান বাহিনী পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনাকে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘাতের নতুন অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে (Afganistan), শুক্রবার বিকেল প্রায় পাঁচটার সময় ইসলামাবাদের ফয়জাবাদ এলাকায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ওই সামরিক কেন্দ্রটির নাম হামজা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের দাবি, ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয় এবং সামরিক কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিকে নিশানা করা হয়। আফগানিস্তানের (Afganistan) পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এই হামলায় ওই কেন্দ্রের নেতৃত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলি লক্ষ্য করা হয়। ফলে শত্রুপক্ষের বড় ধরনের মানবিক ক্ষয়ক্ষতি এবং আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আফগান (Afganistan) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হামলায় ওই সামরিক ঘাঁটির কমান্ড কেন্দ্র, অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংরক্ষণের গুদাম এবং সেনাদের আবাসনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত ডুরান্ড সীমান্ত রেখা ঘিরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে। গত কয়েকদিনে দুই দেশের মধ্যে একাধিক বিমান হামলা এবং মর্টার গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে পাকিস্তান কাবুল, পাকতিয়া এবং কান্দাহার অঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছিল। পাকিস্তানের দাবি ছিল, এই অভিযানে জঙ্গি শিবির এবং সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

তবে আফগানিস্তানের অভিযোগ, ওই হামলায় কাবুলের আবাসিক এলাকায় বোমা পড়ে। এতে অন্তত চারজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক নারী ও শিশু সহ আরও অনেকেই আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিও জানিয়েছে, কাবুলের একটি এলাকায় বিমান হামলায় সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আফগানিস্তানের শাসক কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের এই হামলাকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে তীব্র নিন্দা করেছে। তারা সতর্ক করে জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে।

তবে ইসলামাবাদের ওই সামরিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলার দাবির বিষয়ে পাকিস্তান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ঘটনার পর ইসলামাবাদে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। রাজধানীতে ঢোকার পথগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং অনেক প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে চিন। আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী এবং চিনের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে ফোনে আলোচনা হয়েছে। চিন দুই দেশকেই সামরিক উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

তবুও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রায় দুই হাজার ছয়শো কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত জুড়ে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং বড় সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts