মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। রবিবার তেহরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এঙ্গেলাব স্কোয়ারে একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে (Middle East Crisis)। সেই সময় সেখানে শোকসভায় জড়ো হয়েছিলেন বহু মানুষ। বিস্ফোরণের শব্দে আকাশ কেঁপে উঠলেও কেউ পালিয়ে যাননি। বরং জাতীয় পতাকা উঁচিয়ে আরও জোরে স্লোগান দিতে থাকেন উপস্থিত জনতা (Middle East Crisis)।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে এই ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার দেখা যায়। পরে সেই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের আলোয় তেহরানের আকাশ মুহূর্তে আলোকিত হয়ে উঠছে। কিন্তু নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন নিজেদের জায়গা ছেড়ে সরেননি। যুদ্ধের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে তুলতেই তাঁরা অবস্থান বজায় রাখেন (Middle East Crisis)।
এঙ্গেলাব স্কোয়ার ইরানের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান (Middle East Crisis)। এই এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। একই দিনে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, তারা তেহরানের কেন্দ্রীয় অংশে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় দেশের পুলিশ সদর দফতর এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকাতেও।
ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর দাবি, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নিয়েছে। প্রায় একশোর বেশি শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন সামরিক কমান্ড কেন্দ্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
এর কিছুক্ষণ আগেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ঘোষণা করেছিল যে তারা ইতিহাসের সবচেয়ে তীব্র সামরিক অভিযান শুরু করতে চলেছে। তাদের লক্ষ্য হবে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের অবস্থান (Middle East Crisis)।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ এক টেলিভিশন ভাষণে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যুদ্ধ থামানোর জন্য অনুরোধ না করা পর্যন্ত ইরান পাল্টা আঘাত চালিয়ে যাবে।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই বাড়তে থাকা এই সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বিস্ফোরণ এবং তার মধ্যেই জনতার প্রকাশ্য প্রতিরোধের ছবি এখন আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।











