দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতে চাননি (Election Commission)। এবার কলকাতাতেও সেই একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল। দলের দাবি, বৈঠকে তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে জ্ঞানেশ কুমার উল্টে চিৎকার করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে, সেই বিষয়টিও তিনি বারবার তুলে ধরেছেন বলে অভিযোগ (Election Commission)।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা যাচাই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা হয়েছে (Election Commission)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটেই সোমবার কলকাতায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
তৃণমূলের অভিযোগ, বৈঠকের সময় বারবার সুপ্রিম কোর্টের মামলার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি (Election Commission)। কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার সময়ও তিনি নাকি বলেন, আপনারা যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার লক্ষ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।
পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ ওঠে বলে দাবি করা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, সেই সময় জ্ঞানেশ কুমার বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং চিৎকার করে কথা বলেন (Election Commission)।
সোমবারের বৈঠকে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে রাগ দেখিয়েছেন।
চন্দ্রিমার দাবি, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার বিষয়টি জ্ঞানেশ কুমার বারবার মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, যদি সব বিষয় আদালতেই বিচারাধীন থাকে, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলিকে বৈঠকে ডাকা হল কেন। বৈঠকে ডাকা হলে তাঁদের কথা শোনার দায়িত্ব কমিশনেরই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।













