তৃণমূলের হয়ে প্রচারে অংশ নিতে বাংলায় এলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগরে তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করেন তিনি। সেই সভা থেকেই তেজস্বী (Tejashwi yadav) স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, তাঁদের লক্ষ্য শুধু এই নির্বাচন নয়, আগামী ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনও।
বরাহনগরের আলমবাজার মোড়ে আয়োজিত সভায় তেজস্বী (Tejashwi yadav)বলেন, বাংলায় জয়ের পর সব বিরোধী দল এক হয়ে ২০২৯ সালে দিল্লি থেকে বিজেপিকে সরানোর চেষ্টা করবে। তিনি আরও বলেন, বাংলায় থাকা বিহারী ভোটারদের একজোট হতে হবে। তাঁর দাবি, বাঙালি ও বিহারীরা এক হলে কোনও শক্তিই তাঁদের আটকাতে পারবে না। তিনি জানান, বাংলায় এসে তাঁর মনে হচ্ছে যেন বিহারেই প্রচার করছেন।
এদিন তেজস্বী (Tejashwi yadav) কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে নিয়েও সরব হন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডি, সিবিআই ও আয়কর দপ্তরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। একই অভিযোগ তিনি নিজের দল নিয়েও করেন। তিনি বলেন, এসব চাপের মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন লালু প্রসাদ যাদব ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের লড়াই থেকেই নতুন প্রজন্মের নেতারা অনুপ্রেরণা পান।
বিজেপিকে আক্রমণ করে তেজস্বী (Tejashwi yadav) বলেন, দেশে যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানেই অপরাধ বেশি হচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, সব বিরোধী দল একসঙ্গে লড়াই করলে ভবিষ্যতে বিজেপিকে হারানো সম্ভব।
তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তেজস্বীর উপস্থিতিতে খুশি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তেজস্বী এখানে এসে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশেছেন। সভায় তেজস্বীর উপস্থিতি ঘিরে কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলাও তৈরি হয়।











