Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • যুদ্ধের আগুনে নতুন হুমকি, ট্রাম্পকে মূল্য দিতে হবে বলল ইরান
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে নতুন হুমকি, ট্রাম্পকে মূল্য দিতে হবে বলল ইরান

Email :14

মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর এবার প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল তেহরান (Middle East Crisis)। ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি জানিয়েছেন, তাঁদের নেতার রক্তের বদলা নেওয়া হবেই এবং এর জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মূল্য দিতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লারিজানি বলেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তাঁদের নেতা নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন (Middle East Crisis)। এই ঘটনাকে ইরান কখনওই ভুলবে না। তাঁর কথায়, ট্রাম্প ইরানের শক্তিকে ভুলভাবে বিচার করেছেন এবং এই সংঘাত খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে না।

লারিজানি আরও বলেন, ট্রাম্প মনে করেছিলেন দ্রুত একটি সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ইরানকে চাপে ফেলা যাবে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে (Middle East Crisis)। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান ট্রাম্পকে ছেড়ে কথা বলবে না এবং তিনি যা করেছেন তার মূল্য তাঁকে দিতেই হবে।

পরে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় লারিজানি আবারও একই হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যতক্ষণ না প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ ইরান থামবে না।

তবে এই মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, লারিজানি কে তা তিনি জানেন না এবং তাঁর কথাকে তিনি কোনও গুরুত্বই দেন না। ট্রাম্পের কথায়, তিনি এসব মন্তব্য নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন (Middle East Crisis)।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের অনেক নেতা ইতিমধ্যেই দুর্বল হয়ে পড়েছেন এবং অঞ্চলে তাদের প্রভাব কমছে। তিনি আবারও বলেন, আমেরিকার সামরিক অভিযান চলতেই থাকবে এবং ইরানকে শেষ পর্যন্ত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে।

এই উত্তেজনার মাঝেই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে খবর সামনে আসে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের পাল্টা হামলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। তবে পরে তিনি জানান, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলিকে আক্রমণ করেনি। বরং অঞ্চলে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলিকেই লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

এরপর ট্রাম্প আবারও ইরানকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ইরান এখন দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

এরই মধ্যে যুদ্ধের নবম দিনে পৌঁছে গেছে সংঘাত। আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ফলে গোটা অঞ্চলে বড় সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তবে একই সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও শোনা যাচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা শুরু করেছে। কাতার, তুরস্ক, মিশর এবং ওমানের মতো দেশ এই সংঘাত মেটাতে উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

তবুও সামরিক তৎপরতা থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা অভিযানের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও হামলা হতে পারে। অন্যদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিবও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও বাড়তে পারে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts