ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে যুদ্ধ নয়, বরং শান্তির দরজা বলে দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Middle East Crisis)। তাঁর বক্তব্য, এই পদক্ষেপ অনন্ত সংঘাতের পথ নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে এগোনোর সুযোগ। তিনি বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেই অতীতে একাধিক বড় কূটনৈতিক সাফল্য এসেছে (Middle East Crisis)।
নেতানিয়াহু জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ফলেই চারটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্ভব হয়েছিল। সেই আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে চারটি আরব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয় (Middle East Crisis)। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতে আরও বহু শান্তি চুক্তি হতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, অনেকেই এই সংঘাতকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন, কিন্তু বাস্তবে এটি শান্তির নতুন সুযোগ (Middle East Crisis)। ইরানকে ঘিরে কড়া অবস্থানই নাকি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে পারে।
নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রশংসাও করেন। তাঁর মতে, ট্রাম্পের মতো দৃঢ়চেতা ও স্পষ্ট চিন্তাধারার নেতা আগে দেখা যায়নি। তিনি সরাসরি মূল বিষয়ে পৌঁছে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। নেতানিয়াহুর দাবি, শুধু ইজরায়েল নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই ট্রাম্পের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, ট্রাম্প আমেরিকাকে আবারও বিশ্বের নেতৃত্বের আসনে ফিরিয়ে এনেছেন।
এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপ আদৌ শান্তির পথ খুলে দেবে, নাকি সংঘাত আরও বাড়াবে— সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বিশ্ব রাজনীতির অন্দরে।













