কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাতের কয়েক দিনের মধ্যেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prasenjit Chatterjee)। এই পরপর দুই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, সবটাই কি সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় কোনও পরিকল্পনা?
সম্প্রতি অমিত শাহ প্রসেনজিতের (Prasenjit Chatterjee) বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক এবং বিজেপির নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এরপর বৃহস্পতিবার নবান্নে গিয়ে আবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রসেনজিৎ। এই ধারাবাহিক বৈঠকের পর থেকেই রাজ্যসভায় তাঁকে পাঠানো হতে পারে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্যসভার তিনটি শূন্য আসনে আগামী চব্বিশ জুলাই নির্বাচন হওয়ার কথা। ওই আসনগুলি ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা এখন তুঙ্গে। সেই আবহেই প্রসেনজিতের পরপর বৈঠক নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, রাজ্যসভায় পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।
এর আগেও ভোটের সময়ে বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা প্রসেনজিতের (Prasenjit Chatterjee) বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের যোগাযোগ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। সেই কারণেই এবার তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়া কিংবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত প্রসেনজিৎ (Prasenjit Chatterjee) বা বিজেপির পক্ষ থেকে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা রাজ্যসভায় মনোনয়ন নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে সব নজর এখন আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক পদক্ষেপের দিকে। আদৌ কি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে প্রসেনজিৎকে, নাকি এই সবই রাজনৈতিক জল্পনা, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।












