বাংলায় নতুন সরকার গঠন হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, হার স্বীকার করলেও এখনও নিজেকে ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’ বলতে চাইছেন না তৃণমূল নেত্রী।
দুই দিন আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দাবি করেছিলেন, তিনি হারেননি এবং ইস্তফা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এখনও পর্যন্ত তাঁর পদত্যাগ নিয়ে স্পষ্ট কোনও ঘোষণা সামনে আসেনি। শনিবার শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেও মমতার সোশ্যাল মিডিয়া বায়োতে ‘প্রাক্তন’ শব্দটি যোগ হয়নি।
ফেসবুক এবং এক্স হ্যান্ডেলে নিজের পরিচয়ে সামান্য বদল এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । সেখানে এখন লেখা রয়েছে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন। তার পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পরিচয়। পাশাপাশি বন্ধনীর মধ্যে লেখা রয়েছে পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ বিধানসভা। কিন্তু কোথাও ‘প্রাক্তন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। এই বিষয়টি নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যনির্বাহী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন (Mamata Banerjee)। তবে সাধারণত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রীরা পদত্যাগ করেন। ২০১১ সালে বামফ্রন্টের হার স্পষ্ট হতেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনাও টানা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর সোশ্যাল মিডিয়া বায়োতে ইতিমধ্যেই পরিবর্তন এসেছে। কিছুক্ষণ আগেও সেখানে বিরোধী দলনেতা লেখা ছিল। এখন তাঁর পরিচয়ে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদ। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে শপথ নেন শুভেন্দু। পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার এক দিনের মধ্যেই তিনি বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।











