বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে শনিবার ব্রিগেড (Brigade) প্যারেড ময়দানে ছিল উৎসবের পরিবেশ। আর সেই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠল ঝালমুড়ি। প্রচারের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছিল। এবার শুভেন্দু অধিকারীর শপথের দিন সেই ঝালমুড়িই যেন বিজেপি সমর্থকদের উদযাপনের প্রধান অংশ হয়ে উঠল।
ব্রিগেডে (Brigade) ঢোকার মুখে দিকে দিকে দেখা গেল ঝালমুড়ির স্টল। হাতে হাতে ঘুরছিল ঝালমুড়ির ঠোঙা। বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের একাংশকে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ঝালমুড়ি খেতে দেখা যায়। এক সমর্থক বলেন, প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন, তাই আজ তাঁরাও ঝালমুড়ি খেয়ে আনন্দ করছেন। পাশে থাকা আর এক সমর্থক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “ঝালে দিদি জ্বলুক, আমরা দিদির জন্যও ঝালমুড়ি পাঠাতে চাই।”
শুধু ঝালমুড়িই নয়, ব্রিগেড (Brigade) জুড়ে চলেছে জয় শ্রী রাম স্লোগানও। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বাঙালিয়ানার ছাপ রাখার চেষ্টাও ছিল স্পষ্ট। রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন হওয়ায় অনুষ্ঠান ঘিরে বিশেষ আয়োজন করা হয়। ঝালমুড়ির পাশাপাশি সীতাভোগ এবং মিহিদানার স্টলেও ছিল ভিড়। অনেকেই বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে নতুন সরকার গঠনের আনন্দ উদযাপন করেন।
এ দিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও স্মরণ করা হয় নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। রাজ্যপালের তরফে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেখানে লেখা হয়, রবীন্দ্রনাথের দূরদৃষ্টি এবং ভাবনা আগামী দিনের ভারত গঠনের পথ দেখাবে। একই সঙ্গে ‘সোনার বাংলা’ এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর কথাও উল্লেখ করা হয় (Brigade)।
অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের তরফে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত প্রভাতফেরির আয়োজন করা হয়। রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে রবীন্দ্র জয়ন্তী এবং নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান মিলিয়ে শনিবার কলকাতার পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।











