ওমান উপকূলে ভারতীয় নাবিকদের থাকা একটি বাণিজ্যতরীতে হামলার ঘটনায় নতুন মোড়। ঘটনার একদিনের মধ্যেই হামলার দায় স্বীকার করেছে আমেরিকা (US)। মার্কিন সেনার দাবি, হরমুজ অঞ্চলে জারি থাকা নৌ অবরোধ অমান্য করেই জাহাজটি ইরানের বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। সেই কারণেই ওই জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
মাদাগাস্কারের পতাকাবাহী বাণিজ্যতরীটির নাম ছিল ‘এমটি মারিভেক্স’। জাহাজটি কর্নাটকের কারওয়ার বন্দর থেকে ওমানের দুকাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। সোমবার দুপুরে হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি ওমান উপকূলে আচমকাই (US) হামলার মুখে পড়ে জাহাজটি।
সূত্রের খবর, মার্কিন বাহিনীর গোলাবর্ষণের পর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় (US)। সমুদ্রের মাঝখানে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে বাণিজ্যতরীটি। সেই সময় জাহাজে ছিলেন চব্বিশ জন ভারতীয় নাবিক। দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাঁদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনায় কোনও ভারতীয় নাবিকের প্রাণহানির খবর নেই (US)।
ঘটনার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পরে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ অঞ্চলে নৌ অবরোধ জারি রয়েছে। অভিযোগ, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ মানেনি এবং ইরানের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এরপর যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী থেকে জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আরও দাবি করেছে, চলতি বছরের তেরো এপ্রিল থেকে অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে সাতটি জাহাজকে অচল করা হয়েছে (US)। পাশাপাশি নিয়ম মেনে চলা একশো চৌত্রিশটি জাহাজকে বিকল্প পথে পাঠানো হয়েছে। মানবিক সহায়তা বহনকারী বিয়াল্লিশটি জাহাজকে হরমুজ অতিক্রমের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সমুদ্রপথে বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












