গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janta Party)। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে সংগঠনের বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিবাদ করতে পছন্দ করি না। কিন্তু ন্যায়বিচারের স্বার্থে অনেক সময় আন্দোলনের পথে নামতে হয়।”
একইসঙ্গে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়ার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসাও করেন। তাঁর মতে, গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ থাকা জরুরি (Cockroach Janta Party)।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সোনম ওয়াংচুক বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, রাজনীতিবিদ এবং আমলাদের সন্তানদের সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করা বাধ্যতামূলক হলে শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তব ও কার্যকর সংস্কার সম্ভব হবে (Cockroach Janta Party)।
বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত অনেকেই সোনমকে দেশের শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার আহ্বান জানান (Cockroach Janta Party)। তবে সেই প্রস্তাব নাকচ করে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছা আমার নেই। আমি চাই দেশের তরুণ প্রজন্ম দায়িত্ব গ্রহণ করুক এবং নেতৃত্ব দিক।”
ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করতে হবে। পাশাপাশি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল আধুনিকীকরণ, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া এবং সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
এই বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য দিল্লি পুলিশের অনুমতি দেওয়াকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। শুধু অনুমতিই নয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আয়োজকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে (Cockroach Janta Party)।
সোনম ওয়াংচুকের উপস্থিতি এবং শিক্ষা নিয়ে তাঁর মন্তব্যের পর এই আন্দোলন নতুন করে জাতীয় স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিক্ষা সংস্কার, পরীক্ষায় স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর বক্তব্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।












