Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • ভোর হতেই বুলডোজারের তাণ্ডব! মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গেল শতাধিক ঘর, পথে এক হাজারেরও বেশি মানুষ
জেলা

ভোর হতেই বুলডোজারের তাণ্ডব! মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গেল শতাধিক ঘর, পথে এক হাজারেরও বেশি মানুষ

bulldozer 23
Email :1

হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার পর এবার শালিমার স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেও বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান চালাল রেল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে দক্ষিণ পূর্ব রেলের উদ্যোগে শুরু হয় এই অভিযান (Howrah)। বিপুল সংখ্যক রেল পুলিশ, হাওড়া সিটি পুলিশ এবং দ্রুত পদক্ষেপ বাহিনী মোতায়েন করে চারটি বুলডোজারের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হয় শালিমারের নেপালি বস্তির শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকান। এই অভিযানের জেরে এক হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বহু পরিবার রাতারাতি মাথার উপর থেকে ছাদ হারিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে (Howrah)।

রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ থেকে ছয় দশক ধরে রেলের জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছিল। একাধিকবার নোটিস দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জায়গা খালি করা হয়নি (Howrah)। এরপরই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় রেল প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ঘরবাড়ি ও দোকান ভাঙার সময় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয় (Howrah)। বহু বাসিন্দা বুলডোজারের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের অভিযোগ, কোনও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই একসঙ্গে এতগুলি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উচ্ছেদ হওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ায় বামপন্থী যুব সংগঠনের নেতারাও। তাঁদের দাবি, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও এই অভিযান চালানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশের ব্যাখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

অন্যদিকে রেল প্রশাসনের বক্তব্য, মোট একশো একচল্লিশটি ঘর ও দোকান বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল (Howrah)। বহুদিন ধরেই মাইকিং, নোটিস এবং বিভিন্নভাবে জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও অধিকাংশ বাসিন্দা এলাকা ছাড়েননি। সেই কারণেই আইন মেনে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে।

রেলের এক আধিকারিক জানান, উচ্ছেদ হওয়া সব নির্মাণ রেলের জমিতে ছিল না। কিছু অংশ রাজ্য সরকারের জমিতেও তৈরি হয়েছিল। তবে অবৈধ দখলমুক্ত করতে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করার পরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বুলডোজার নামানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts