ভোটের দিন পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় (Moyna)তুমুল উত্তেজনা ছড়াল। ময়না বিধানসভার বাকচা গ্রামপঞ্চায়েতের গোড়ামাহাল এলাকার ২৩৪ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান তোলা হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পালটা বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলও।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জওয়ানরা লাঠি উঁচিয়ে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন। কিছু সময়ের জন্য এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয় (Moyna)।
বিজেপির অভিযোগ (Moyna), সকাল থেকে এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট চলছিল। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন এবং নির্দিষ্টভাবে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়।
অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলের দাবি, তিনি খবর পেয়ে ওই বুথে যান। সেখানে পৌঁছতেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর দিকে ছুটে আসে এবং তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, তিনি কোনও চোর নন, একজন সমাজসেবী হিসেবেই মানুষ তাঁকে চেনে। এই সমস্ত অভিযোগকে তিনি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার দাবি তুলেছেন।
উল্লেখযোগ্য, এর আগেও ভোট প্রচারের সময় এই এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফলে এই ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
এদিকে পূর্ব মেদিনীপুরেরই চণ্ডীপুরের ফতেপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম না মেনে তৃণমূলের কর্মীরা জটলা করছিল। সেই নিয়ে প্রতিবাদ করতেই বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় একজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।













