চিকিৎসা করাতে এসে ভয়াবহ ঘটনার মুখে পড়ল মাত্র তিন মাসের এক শিশু কন্যা (Maldah)। অভিযোগ, স্যালাইন খুলতে গিয়ে সরকারি হাসপাতালের এক অস্থায়ী কর্মীর গাফিলতিতে শিশুটির বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল কেটে বাদ পড়ে যায়। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মালদার চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। ক্ষুব্ধ পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর (Maldah)।
জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার (Maldah) কুশিদা এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী নাজমা বিবি তাঁদের অসুস্থ তিন মাসের কন্যাকে চিকিৎসার জন্য চাঁচল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করান। চিকিৎসার সময় শিশুর হাতে স্যালাইন দেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, পরে স্যালাইন খুলতে গিয়ে দায়িত্বে থাকা এক অস্থায়ী কর্মী অসাবধানতাবশত শিশুর বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল কেটে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ, ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মী ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী শিশুটির মা নাজমা বিবির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং তাঁকে মারধরেরও চেষ্টা করেন (Maldah)। এরপর ক্ষুব্ধ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন সুপার সুমিত তালুকদার। তিনি জানান, অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মীকে আপাতত কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেও জানানো হয়েছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। চিকিৎসায় এমন গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসায় হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিষেবার মান নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












