Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • ধর্ষণের অভিযোগ, তারপরই ছাত্রীর আত্মহত্যা! লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতভর তাণ্ডব, জ্বলল ক্যাম্পাস
দেশ

ধর্ষণের অভিযোগ, তারপরই ছাত্রীর আত্মহত্যা! লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতভর তাণ্ডব, জ্বলল ক্যাম্পাস

punjab violance edit
Email :3

পাঞ্জাবের (Punjab) ফাগওয়ারায় লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং তাঁর আত্মহত্যার দাবিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। পড়ুয়াদের একাংশ ভাঙচুর করেন, জানলার কাচ ভাঙা হয় এবং কয়েকটি জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে জালন্ধর-ফাগওয়ারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার পর পুলিশও তদন্ত শুরু করেছে (Punjab) ।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি দাবিকে ঘিরে (Punjab) । সেখানে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে ওই ছাত্রীর আত্মহত্যার দাবিও ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক জন পড়ুয়ার দাবি ছিল, ঘটনাটি ক্যাম্পাসের মধ্যেই ঘটেছে এবং বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ওই ছাত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাঁর এক রুমমেট অন্য পড়ুয়াদের আত্মহত্যার কথা জানান বলে বিক্ষোভকারীদের দাবি। তবে এই দাবিগুলির সবকটি এখনও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

দাবি ছড়িয়ে পড়ার পর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে (Punjab) পড়ুয়াদের জমায়েত বাড়তে থাকে। এক সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। জানলার কাচ এবং অন্য সামগ্রী নষ্ট করা হয়। কয়েকটি জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরে একদল পড়ুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ (Punjab) । প্রাথমিক ভাবে কাপুরথলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর সময় ধর্ষণের অভিযোগের কোনও নিশ্চিত তথ্য বা অভিযোগ তাঁদের হাতে ছিল না। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির জেরেই পড়ুয়ারা জমায়েত করেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছিল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে পড়ুয়াদের কিছু সমস্যা নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

তবে পরে তদন্তে নতুন মোড় আসে। জালন্ধর রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক জানিয়েছেন, এক ছাত্রীর বক্তব্য পাওয়ার পর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের পরিচয় এখনও নিশ্চিত নয় এবং অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ফরেন্সিক তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

অন্য দিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক দাবিকে ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। পড়ুয়াদের গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য, সমাজমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যের জেরে অশান্তি তৈরি হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে।

ফলে লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ধর্ষণ ও আত্মহত্যার দাবির সঙ্গে বাস্তব ঘটনার সম্পর্ক কতটা। পুলিশ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তে সিসিটিভি, ফোনের তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts