Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • দু’দশক পর কলকাতায় ফিরেই বিস্ফোরক তসলিমা! বাংলাদেশ নিয়ে এমন বার্তা আগে শোনেননি কেউ
রাজ্য

দু’দশক পর কলকাতায় ফিরেই বিস্ফোরক তসলিমা! বাংলাদেশ নিয়ে এমন বার্তা আগে শোনেননি কেউ

taslima nasrin banfladsh
Email :4

প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরে আবেগে ভাসলেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। শনিবার রবীন্দ্রসদনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি একদিকে যেমন কলকাতার প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বললেন, তেমনই বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিলেন (Taslima Nasrin)।

তসলিমা (Taslima Nasrin) বলেন, দীর্ঘ চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি মানবিকতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, বাকস্বাধীনতা এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকারের পক্ষে কথা বলে এসেছেন। এই পথে অনেক বাধা এসেছে, কিন্তু তাঁর বিশ্বাস কখনও বদলায়নি।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি (Taslima Nasrin) বলেন, দেশে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার প্রভাব উদ্বেগজনক। বহু মুক্তচিন্তার মানুষ শুধুমাত্র মত প্রকাশের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের অপরাধ ছিল প্রশ্ন তোলা এবং ধর্মীয় কুসংস্কারের সমালোচনা করা। কিন্তু প্রশ্নকে কখনও হত্যা করা যায় না। একজন প্রশ্নকারীকে থামানো গেলেও আরও অনেক মানুষ সেই প্রশ্ন তুলে ধরবেন।

বাকস্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করে তসলিমা বলেন, বিশ্বাস করার অধিকার যেমন আছে, তেমনই অবিশ্বাস করার অধিকারও থাকা উচিত। তাঁর মতে, রাষ্ট্রের কোনও ধর্ম থাকা উচিত নয়। রাষ্ট্রের একমাত্র দায়িত্ব হওয়া উচিত সকলের প্রতি সমান ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী তসলিমা (Taslima Nasrin) বলেন, একদিন এমন সময় আসবে যখন রাষ্ট্র ও ধর্ম আলাদা হবে। নারী ও পুরুষ সমান অধিকার পাবেন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নিরাপদে বসবাস করবেন এবং মুক্তচিন্তার মানুষ ভয় ছাড়াই নিজের মত প্রকাশ করতে পারবেন। তাঁর কথায়, আশা মানে অন্ধ বিশ্বাস নয়, অন্ধকারের মধ্যেও আলো খুঁজে নেওয়ার শক্তি।

কলকাতায় ফিরে নিজের অভিমান এবং ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেন তসলিমা (Taslima Nasrin)। তিনি বলেন, এই শহর থেকে একসময় তাঁকে চলে যেতে হয়েছিল। তবু কলকাতায় ফেরার স্বপ্ন কখনও ছেড়ে দেননি। তাঁর কথায়, ঘর কেড়ে নেওয়া যায়, কিন্তু ঘরে ফেরার ইচ্ছাকে কেড়ে নেওয়া যায় না। মানুষের ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় পরিচয়। দীর্ঘ উনিশ বছর পর আবার কলকাতায় ফিরে তিনি রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts