ধর্মতলায় ছাত্র আন্দোলন (Dharmatala Protest) ঘিরে হওয়া অশান্তির ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এই ঘটনায় শুধু ছাত্ররা ছিলেন না। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের (Dharmatala Protest) মধ্যে বহিরাগতরা ঢুকে পড়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনও হয়নি।
বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ককরোচ মার্চ’ নামে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। পুলিশকে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে যেন কোনও বলপ্রয়োগ না করা হয় (Dharmatala Protest)। তাঁর দাবি, পরে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি এমন অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আনা হয়েছিল। ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে জলের বোতল ও জুতো ছোড়া হয় এবং কয়েকজন সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, পুলিশের উদ্দেশ্য ছিল পরিস্থিতি শান্ত রাখা। তাঁর অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ চাইছিল পুলিশ বলপ্রয়োগ করুক, যাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। কিন্তু পুলিশ সেই পথে হাঁটেনি। তিনি জানান, ঘটনায় কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন, তাঁদের মধ্যে ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় (Dharmatala Protest) এখনও পর্যন্ত মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি হেয়ার স্ট্রিট থানায় এবং একটি এন্টালি থানায় নথিভুক্ত হয়েছে। তাঁর দাবি, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি কয়েকজনের নামও উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন।
এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। কারা অশান্তিতে জড়িত ছিলেন এবং কীভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হল, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই গোটা ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।












