আগস্ট মাস থেকে রাজ্যজুড়ে জনগণনার কাজ শুরু হতে চলেছে। এই কর্মসূচির পাশাপাশি একাধিক পুরসভায় আসন পুনর্বিন্যাসের কাজও চলবে (Sensus)। তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে যে ওয়ার্ড রয়েছে, সেই হিসাব ধরেই জনগণনার কাজ করা হবে। ফলে আসন পুনর্বিন্যাসের কারণে জনগণনার কাজে কোনও প্রভাব পড়বে না।
জনগণনার প্রস্তুতি নিয়ে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। বৈঠকে বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিক, জেলাশাসক এবং জনগণনা দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জনগণনার কাজ দ্রুত, নির্ভুল এবং নিয়ম মেনে সম্পন্ন করার জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Sensus)।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষ যাতে নিজেরাই অনলাইনে জনগণনার তথ্য জমা দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ জন্য রাজ্যজুড়ে প্রচার চালানো হবে। তবে যাঁরা অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবেন না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে জনগণনার কর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করবেন (Sensus)।
জনগণনা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদেরও যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যাঁরা জনগণনার কর্মী এবং তদারকির দায়িত্বে থাকবেন, বিশেষ করে শিক্ষকরা, তাঁদের নিজের কর্মস্থলের কাছাকাছি এলাকায় দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা দুই দিকের কাজই সহজে সামলাতে পারেন (Sensus)।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের সময় কোনও কর্মী সমস্যায় পড়লে দ্রুত পুলিশি সহায়তা দেওয়া হবে। সব সময় পুলিশের উপস্থিতি না থাকলেও জরুরি পরিস্থিতিতে যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেই প্রস্তুতি রাখতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনগণনার পুরো প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।













