নিউটাউনের (Newtown) একটি গেস্ট হাউসে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হল দুই কোটিরও বেশি নগদ টাকা। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া তল্লাশি প্রায় বারো ঘণ্টা ধরে চলে। অভিযান শেষে পুলিশ উদ্ধার করে প্রায় দুই কোটি সাতাশ লক্ষ পঁচাশি হাজার টাকা। এত টাকা গুনতে ছয়টি টাকা গোনার মেশিন আনতে হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া টাকা তিনটি ট্রলিতে করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি গাড়ি এবং একটি স্কুটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ (Newtown)।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক মহিলা-সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন ভিনরাজ্যের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। এত বিপুল নগদ টাকা কোথা থেকে এল এবং কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Newtown)।
পুলিশ সূত্রে খবর, গেস্ট হাউসটির মালিক প্রসন্নকুমার রায়। তবে তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন, তা এখনও জানা যায়নি। গেস্ট হাউসের সামনে থাকা গাড়ি ও স্কুটির মালিকের পরিচয়ও স্পষ্ট নয়। সেই কারণেই সেগুলিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই বিপুল নগদের সঙ্গে হাওলা চক্রের যোগ থাকতে পারে। পাশাপাশি সাইবার প্রতারণার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, কল সেন্টারের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে সেই অর্থ এই গেস্ট হাউসে জমা রাখা হত। পরে হাওলার মাধ্যমে সেই টাকা অন্যত্র পাঠানো হত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনও সন্দেহ না জাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ চলছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশের ধারণা, জামতাড়ার প্রতারণা চক্রের মতোই সুপরিকল্পিতভাবে এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হত। বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের পর গোটা চক্রের উৎস এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত আরও জোরদার করেছে পুলিশ।












