বারুইপুরে (Baruipur) নাবালিকা খুনের ঘটনায় তদন্তে বড় মোড় এল। এবার মামলায় ধর্ষণের পাশাপাশি গণধর্ষণের ধারাও যুক্ত করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে আসা প্রাথমিক তথ্য এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে তাদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে (Baruipur)।
রবিবার পুকুর থেকে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের পরই এলাকায় (Baruipur) চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হলেও তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই সামনে এসেছে আরও গুরুতর অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতেই দেহ উদ্ধার হয় এবং পরে একে একে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এখনও একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ বাকি রয়েছে। তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে (Baruipur)। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন বলে আদালতে জানানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্য-প্রমাণ লোপাট, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকা অপহরণ এবং শিশু সুরক্ষা আইনের একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত চার্জশিট পেশের প্রস্তুতি চলছে।
আদালতে এদিন অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তেরই চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের আশা, এই সময়ের মধ্যেই ঘটনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।












