পুণের তরুণ ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে (Maharashtra Murder) তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, এটি শুধুমাত্র প্রেমের ত্রিভুজের ঘটনা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং বিপুল অঙ্কের অর্থের লেনদেন।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ছাব্বিশ বছরের কেতন আগরওয়ালের (Maharashtra Murder) সঙ্গে বছর কুড়ির সিয়া গোয়েলের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের দিনও নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্কের আড়ালেই চলছিল অন্য পরিকল্পনা। অভিযোগ, সিয়ার প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষেছিলেন তিনি।
পুলিশের দাবি, সিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে কেতনকে লোহাগড় দুর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী উপস্থিত ছিল চেতন। সুযোগ বুঝে কেতনকে পাহাড়ের খাদে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড (Maharashtra Murder)।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, খুনের আগে কেতনের (Maharashtra Murder) কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকা নিয়েছিলেন সিয়া। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ের কেনাকাটা এবং অন্যান্য প্রস্তুতির জন্য এই অর্থ প্রয়োজন। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে না রেখে প্রেমিক চেতন চৌধুরীর হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, চেতন আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন না। নিজের ব্যবসা এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই ওই অর্থ ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সিয়া এবং চেতন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কেতনের মৃত্যুর পর সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে করবেন না। কয়েক বছর অপেক্ষা করে বিয়ে করলে তাঁদের বিরুদ্ধে সন্দেহ কম হবে বলেই মনে করেছিলেন তাঁরা।
তদন্তকারীদের দাবি, চেতন সিয়াকে জানিয়েছিলেন, আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হতে তাঁর অন্তত তিন বছর সময় লাগবে। সেই কারণেই কেতনের মৃত্যুর কয়েক বছর পরে বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন দু’জনে (Maharashtra Murder)। পুলিশের মতে, খুন থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের জীবন—সবকিছুই আগেভাগে পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছিল।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা অর্থের লেনদেন, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন। পুলিশ মনে করছে, তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।











