কর্নাটকের (Karnataka) তুমকুরু জেলার একটি ব্যস্ত জাতীয় সড়কে চলন্ত গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রথমে ঘটনাটিকে যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক বিস্ময়কর তথ্য। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের আগে এক তরুণী চলন্ত গাড়ি থেকে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বাঁচান (Karnataka)। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় গাড়ির পিছনের আসনে থাকা যুবকের।
মৃত যুবকের নাম নগেন্দ্র। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করতেন (Karnataka)। তদন্তকারীদের দাবি, সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যায়। অভিযোগ, ঘটনার দিন তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জোর করে একটি ভাড়ার গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এই ঘটনার পরই তরুণীর পরিবার পুলিশের কাছে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করে।
পুলিশের দাবি, গাড়িতে ওঠার পর নগেন্দ্র তরুণীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন (Karnataka)। তিনি নাকি জানিয়েছিলেন, তরুণীকে হত্যা করার পর নিজেও আত্মহত্যা করবেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে গাড়ির চালক আচমকা গাড়ি থামিয়ে পিছনের দরজা খুলে দেন। সেই সুযোগেই তরুণী গাড়ি থেকে ঝাঁপ দিয়ে বেরিয়ে আসেন।
তদন্তে জানা গিয়েছে, তরুণী গাড়ি থেকে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নগেন্দ্রর। গুরুতর আহত হন গাড়ির চালকও। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নগেন্দ্রর কাছে কোনও বিস্ফোরক পদার্থ ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে একসঙ্গে মৃত্যুর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল এবং কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, তা জানতে তদন্ত চলছে। ঘটনায় একাধিক দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।












