তারাতলার (Taratala) গুদাম ধসের ঘটনায় তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের প্রায় ঘণ্টাদেড়েকের মধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সৈয়দ মহম্মদ গুলজার, মহম্মদ আতাউল এবং সুভাষ চৌধুরী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলজার ওই নির্মাণকাজের সুপারভাইজার ছিলেন (Taratala)। অন্যদিকে আতাউল ও সুভাষ শ্রমিক সরবরাহের দায়িত্বে ছিলেন (Taratala)। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং শ্রমিকদের সংখ্যা জানার চেষ্টা চলছে।
বুধবার দুপুর বারোটা সাত মিনিট নাগাদ হঠাৎ ভেঙে পড়ে তারাতলার তিনতলা গুদামের একটি অংশ (Taratala)। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান বহু শ্রমিক। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকেরা। উদ্ধারকাজের প্রতিটি মুহূর্তের খবর নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
দুপুর আড়াইটে নাগাদ মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্ধারকাজে সেনার সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় (Taratala)। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় সেনাবাহিনী। দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের খোঁজে ভার্টিকাল ড্রিলিং করা হয়। ড্রোনের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নামানো হয়েছে দুটি প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুরও।
রাত পর্যন্ত উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব ও মুখ্যসচিব। দফায় দফায় বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী (Taratala)। তিনি জানান, সেখানে কর্মরত অধিকাংশ শ্রমিক বিহার ও মুঙ্গের এলাকার বাসিন্দা। ঠিক কতজন শ্রমিক ঘটনাস্থলে কাজ করছিলেন, তা জানতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক সরবরাহকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নিখোঁজ, উদ্ধার ও কর্মরত শ্রমিকদের সঠিক সংখ্যা জানার চেষ্টা চলছে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর লালবাজারের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থার খোঁজে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। এরপরই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় আর কারও ভূমিকা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












