Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • বেজিং থেকে ফিরেই সব ফোন ধ্বংস! চিনকে এতটাই ভয় পাচ্ছে আমেরিকা?
বিদেশ

বেজিং থেকে ফিরেই সব ফোন ধ্বংস! চিনকে এতটাই ভয় পাচ্ছে আমেরিকা?

trump and jinping m
Email :7

চিন সফর ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিনিধিদলের (Trump Delegation) সদস্যদের চিন সফরে যাওয়ার আগে ব্যক্তিগত মোবাইল বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছিল। তার বদলে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ অস্থায়ী ফোন। সফর শেষে সেই ফোন ধ্বংস করে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, বেজিং সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে যাওয়া আধিকারিকরা (Trump Delegation) শুধুমাত্র ‘বার্নার ফোন’ ব্যবহার করেছিলেন। এই ধরনের ফোন সাধারণত অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং পরে ফেলে দেওয়া বা নষ্ট করে দেওয়া হয়, যাতে কোনও তথ্য ফাঁস না হয়।

সূত্রের খবর, বেজিং থেকে ফেরার আগে প্রতিনিধিদলের সদস্যদের চিনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া বিভিন্ন উপহারও ফেলে দিতে বলা হয় (Trump Delegation)। এর মধ্যে ছিল স্মারক, ব্যাজ, পিন এবং অন্যান্য উপহারসামগ্রী। এমনকী চিন থেকে পাওয়া কোনও জিনিস বিমানেও তুলতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি।

জানা গিয়েছে, সফরে যাওয়ার আগে অধিকাংশ আধিকারিক নিজেদের ব্যক্তিগত মোবাইল, ল্যাপটপ বা অন্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র বাড়িতেই রেখে গিয়েছিলেন (Trump Delegation)। পুরো সফরে শুধুমাত্র নিরাপত্তার জন্য তৈরি অস্থায়ী ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুদিন ধরেই আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক করে আসছে যে বিদেশ সফরের সময় ইলেকট্রনিক যন্ত্র হ্যাক হতে পারে। ফোন বা ল্যাপটপের মাধ্যমে তথ্য চুরি, নজরদারি কিংবা গোপনে সফটওয়্যার ঢুকিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমনকী বন্ধ থাকা ডিভাইস থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব বলে দাবি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

আমেরিকা এবং চিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে (Trump Delegation)। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, চিনা গোষ্ঠীগুলি সরকারি নেটওয়ার্কে হ্যাকিং, শিল্পক্ষেত্রে গুপ্তচরবৃত্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরির সঙ্গে জড়িত। যদিও চিন বরাবর সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। উল্টে আমেরিকার বিরুদ্ধেই বিশ্বজুড়ে নজরদারির অভিযোগ তুলেছে বেজিং।

সম্প্রতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেন, দুই দেশই একে অপরের উপর নজরদারি চালায়। তাঁর মন্তব্য, “ওরা যা করে, আমরাও তাই করি। আমরাও ওদের উপর নজরদারি চালাই।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে কূটনৈতিক সফরগুলিতে এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই সাধারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব দেশকে সাইবার ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়, সেখানে সরকারি আধিকারিকরা নিজেদের মূল ফোন বা ল্যাপটপ নিয়ে যান না।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এই চিন সফরে বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান এবং জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে সফরের পরেও দুই দেশের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে অবিশ্বাস যে এখনও প্রবল, এই ঘটনাই তা আরও স্পষ্ট করে দিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts