তাম্রলিপ্ত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর এবং দলের জেলা সহ সভাপতি চঞ্চল খাঁড়াকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ (TMC Leader)। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়ছিল। স্থানীয়দের দাবি, শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় এতদিন পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। অবশেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে আটক করে টানা প্রায় দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর রাতে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তমলুক জেলা আদালতে তোলা হলে আদালত ধৃত নেতাকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় এগারোটা নাগাদ তমলুক থানার পুলিশ চঞ্চল খাঁড়াকে তাঁর বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যায়। এরপর রাত পর্যন্ত জেরা চলে। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, ভয় দেখানো এবং প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন বেআইনি কাজ করার অভিযোগ রয়েছে (TMC Leader)।।
চঞ্চল খাঁড়ার (TMC Leader)। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার সকালে তমলুক থানার সামনে বিক্ষোভে সামিল হন এলাকার বহু মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসক পার্থসারথি মান্না অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষ তৃণমূল নেতাদের দাপটে অতিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর দাবি, পার্টি অফিসে লোক ডেকে ভয় দেখানো থেকে শুরু করে জোর করে জমি দখলের মতো নানা অভিযোগ ছিল চঞ্চল খাঁড়ার বিরুদ্ধে। গ্রেফতারের ঘটনায় স্বস্তি ফিরেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
একই দিনে বিধাননগর পুরনিগমের নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টুকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ (TMC Leader)। এক প্রোমোটারকে মারধরের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সম্প্রতি নতুন করে মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে এনে গ্রেফতার করে। পুরনো মামলাটিও নতুন তদন্তের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, এতদিন যাঁরা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় দাপট দেখিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই এবার কড়া পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।
মেটা বিবরণ: তমলুকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর চঞ্চল খাঁড়া। টানা দশ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশের বড় পদক্ষেপ। একই দিনে গ্রেফতার বিধাননগরের কাউন্সিলরও। রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য।













