Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • রাতের অন্ধকারে ভয়ঙ্কর অভিযান! পাকিস্তানে ঢুকে কী করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’?
দেশ

রাতের অন্ধকারে ভয়ঙ্কর অভিযান! পাকিস্তানে ঢুকে কী করেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’?

operation sindoor n
Email :6

সাত মে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) এক বছর পূর্তি ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথা আবার সামনে এনে দিল। ঠিক এক বছর আগে ভারতীয় সেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনা একসঙ্গে মিলে এমন এক অভিযান চালিয়েছিল, যা দেশের সন্ত্রাস দমন কৌশলকে নতুন দিশা দেখায়। এই অভিযান শুরু হয়েছিল দু’হাজার পঁচিশ সালের সাত মে ভোররাতে। এর পিছনে ছিল পাহেলগামের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বদলা নেওয়ার লক্ষ্য।

দু’হাজার পঁচিশ সালের বাইশ এপ্রিল পহেলগাওয়ে (Operation Sindoor) জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ছাব্বিশ জন পর্যটকের। সেই ঘটনার পর গোটা দেশ জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পরিকল্পনা শুরু করে। তদন্তে উঠে আসে, হামলার পিছনে থাকা জঙ্গি সংগঠনগুলি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং গোপন আর্থিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছিল। শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংস্থা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আড়ালে চলছিল জঙ্গি কার্যকলাপ।
এরপরই শুরু হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’। সাত মে ভোরে ভারতীয় সেনার তিন বাহিনী একযোগে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায়। উপগ্রহ চিত্র এবং ডিজিটাল তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট লক্ষ্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে হামলা চালিয়ে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কম রাখার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল।

এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল তথাকথিত ‘হোয়াইট কলার’ জঙ্গি নেটওয়ার্কের পর্দাফাঁস (Operation Sindoor)। পরে লালকেল্লা বিস্ফোরণ তদন্তেও সেই তথ্যের সত্যতা সামনে আসে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানতে পারে, কিছু পেশাদার এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের আড়ালে জঙ্গিদের অর্থ এবং লজিস্টিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছিল। অবকাঠামো প্রকল্প এবং জ্বালানি করিডরের মতো ক্ষেত্রও ব্যবহার করা হচ্ছিল জঙ্গি কার্যকলাপের আড়াল হিসেবে।
এই ঘটনার পর দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়। ব্যাঙ্ক লেনদেনে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হয়, যাতে গোপনে অর্থ লেনদেন রোখা যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন শহরে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়।

অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর দক্ষিণ কমান্ডের দায়িত্বে আনা হয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল সন্দীপ জৈনকে। সমুদ্র এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
এক বছর পরেও ‘অপারেশন সিঁদুর’ ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক বড় উদাহরণ হয়ে রয়েছে। শুধু সীমান্তে নয়, প্রযুক্তি, অর্থনীতি এবং তথ্য ব্যবস্থাকেও ব্যবহার করে কীভাবে সন্ত্রাস দমন করা যায়, সেই নতুন কৌশলেরই প্রতীক হয়ে উঠেছে এই অভিযান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts