শুভেন্দু অধিকারীর খুব কাছের মানুষদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ (Chandranath Rath)। গত কয়েক বছরে যাঁরা শুভেন্দুর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁরা প্রায় সকলেই চন্দ্রনাথকে চিনতেন। শুভেন্দুর মিটিং, মিছিল, রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সামলানোর দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর (Chandranath Rath)। সেই চন্দ্রনাথই বুধবার রাতে গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে প্রাণ হারালেন।
অভিযোগ, বুধবার রাতে বারাসতের দিকে যাওয়ার সময় চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath) গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। বাইকে এসে দুষ্কৃতীরা গাড়ি থামিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি চালায় বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এবং শঙ্কদেব পণ্ডার অভিযোগ, মৃত্যু নিশ্চিত করতেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, প্রায় আট বছর ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath)। তিনি প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী ছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর ৫ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা চন্দ্রনাথের সঙ্গে শুভেন্দুর পরিচয় তৃণমূলের সময় থেকেই। ধীরে ধীরে তিনি শুভেন্দুর অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের তদারকি এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাতেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রামেও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath)। পরে শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর কলকাতাতেও তাঁর বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সাংগঠনিক কাজের দেখভাল করতেন তিনি। চণ্ডীপুরের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর মা।
বুধবার রাতের হামলার ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অনেকদিন ধরেই পরিকল্পনা করে এই হামলা চালানো হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত চন্দ্রনাথকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।







