প্রথম দফার ভোটের শেষ মুহূর্তে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সাগরদিঘির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক (TMC Candidate) বায়রন বিশ্বাস নিজের এলাকায় ভোট দিতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই ফিরে আসেন। বুথে ঢোকার আগে বারবার তল্লাশি করা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ধুলিয়ানের একটি স্কুলে নিজের পাড়ার বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি (TMC Candidate)। অভিযোগ, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে একাধিকবার তল্লাশি করেন। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। এতে বিরক্ত হয়ে তিনি ভোট না দিয়েই বুথ থেকে বেরিয়ে আসেন (TMC Candidate)।
এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে বায়রন বিশ্বাস বলেন, “আমি কি সন্ত্রাসবাদী? গোটা এলাকা জানে আমি বিধায়ক, তা সত্ত্বেও কেন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হল?” তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর জন্য ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, সামশেরগঞ্জে তাঁদের প্রার্থী নূরে আলমকে হারানোর চেষ্টা চলছে (TMC Candidate)।
বায়রনের কথায়, সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি তাঁকেও ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করা হয়েছে। তিনি জানান, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তিনি বিশেষ নিরাপত্তা পান, তবুও এই ধরনের আচরণে তিনি বিস্মিত। এই ঘটনাকে তিনি একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত বলেও অভিযোগ করেন।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে থেকেই বায়রন বিশ্বাসের কিছু মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, অতীতে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী-কে নিজের রাজনৈতিক গুরু বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে ভোটের দিন বুথে গিয়েও ভোট দিতে না পারার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।











