ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া ইরানের যুদ্ধজাহাজের (Iran Warship) এক জীবিত নাবিক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, কোনও ধরনের সতর্কবার্তা ছাড়াই হঠাৎ করে হামলা চালানো হয় এবং সেই হামলার লক্ষ্য ছিল জাহাজে থাকা সবাইকে হত্যা করা। এই ঘটনায় গত মাসে বহু নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Iran Warship)।
বেঁচে ফেরা নাবিক হামেদ মোমেনেহ জানান, গভীর রাতে হঠাৎ করেই হামলা শুরু হয়। তাঁর কথায়, “রাত প্রায় তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে আচমকা আক্রমণ করা হয়। কোনও সতর্কতা ছিল না (Iran Warship)। এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের সম্পূর্ণ বিরোধী।” তিনি আরও দাবি করেন, একটি সাবমেরিন থেকে এই হামলা চালানো হয়েছিল।
নাবিকের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম টর্পেডোটি আঘাত হানে যখন জাহাজের সব নাবিক নিজেদের দায়িত্বে ছিলেন। প্রথম আঘাতে কেউ নিহত হননি বলেও তিনি জানান। তবে তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল জাহাজ নষ্ট করা নয়, বরং জাহাজে থাকা মানুষদের হত্যা করা (Iran Warship)।
তিনি আরও বলেন, কোনও নাবিক জাহাজ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেননি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবাই নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় রাতে সমুদ্রে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন তাঁরা এবং সাঁতরে তীরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে এই ঘটনা ঘটে। জাহাজটি একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক মহড়ায় অংশ নেওয়ার পর ফিরছিল। হামলার পরে বহু নাবিকের দেহ উদ্ধার করা হয় এবং কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।











