প্রথম দফার ভোটের মাত্র চারদিন আগে বাংলার রাজনীতিতে বড় চাঞ্চল্য ছড়াল। তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (IPAC) হঠাৎই সব কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থার তরফে কর্মীদের ইমেল করে জানানো হয়েছে, কিছু আইনি জটিলতার কারণে আপাতত কাজ স্থগিত রাখা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, সংস্থার কর্মীদের প্রায় কুড়ি দিনের জন্য সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে (IPAC)। জানানো হয়েছে, আগামী ১১ মে-র পর আবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে। কর্মীদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তারা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং সঠিক সময়ে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে কর্মীরা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের (IPAC) পিছনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতাকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটের মুখে ইডি হঠাৎ করেই আই প্যাকের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যেই সংস্থার কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছে। সেই সময় দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এরপর সংস্থার এক ডিরেক্টরকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংস্থার একাধিক অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। প্রতীক জৈনের পরিবারকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আই প্যাকের কাজ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এই সংস্থা। আসন্ন নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত শাসকদলের প্রচারে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।












