ওমান সাগরে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে এলাকা ছাড়ার (Middle East Crisis) জন্য বারবার সতর্কবার্তা দিচ্ছে। রেডিও বার্তায় ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটি শেষ সতর্কবার্তা, অবিলম্বে পথ পরিবর্তন করতে হবে।
ভিডিওতে শোনা যায়, ইরানের নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে বলা হচ্ছে, তারা যেন দ্রুত দিক পরিবর্তন করে ভারত মহাসাগরের দিকে ফিরে যায় (Middle East Crisis) । না হলে তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। বারবার একই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, যাতে পরিস্থিতির উত্তেজনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলাচল করছে এবং কোনওরকম উসকানি দেওয়ার উদ্দেশ্য তাদের নেই (Middle East Crisis) । পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে যে সাময়িক সংঘর্ষবিরতি রয়েছে, তার নিয়ম মেনেই তারা এগোচ্ছে বলে দাবি করে আমেরিকা।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারির সুর আরও চড়ানো হয়। শুধু মার্কিন জাহাজ নয়, আশপাশে থাকা অন্যান্য জাহাজগুলিকেও সতর্ক করে বলা হয়, তারা যেন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে অন্তত ১০ মাইল দূরে থাকে। ইরানের দাবি, প্রয়োজন হলে কোনও সতর্কতা ছাড়াই গুলি চালানো হতে পারে (Middle East Crisis) ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় মাধ্যম আরও দাবি করেছে, এই ঘটনার সময় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রস্তুত রাখা হয়েছিল এবং মার্কিন জাহাজগুলি প্রায় হামলার মুখে পড়তে যাচ্ছিল। পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা এলাকা ছেড়ে সরে যায় বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে আমেরিকার পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, তাদের দুটি যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে মাইন সরানোর কাজে গিয়েছিল। তবে ইরান সেই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি যুদ্ধজাহাজকে ওই পথে যেতে দেওয়া হয়নি।
এই ঘটনার পর ওমান সাগর ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।













