গত তিন ম্যাচে মোহনবাগানের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো ছিল না। তিন ম্যাচে মাত্র দুটি পয়েন্ট পেয়েছিল দলটি (Mohun Bagan)। এর মধ্যে একটি ম্যাচে হার এবং দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল। তাই পাঞ্জাব এফসির মতো আক্রমণাত্মক দলের বিরুদ্ধে মোহনবাগান কীভাবে খেলবে, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল সমর্থকদের মধ্যে।
শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দু’বার পিছিয়ে পড়েও ৩–২ গোলে দুর্দান্ত জয় পেল মোহনবাগা (Mohun Bagan)। ম্যাচ শুরুর আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। পরে অনুমতি মেলার পর স্টেডিয়ামে মাত্র ১৭ হাজার দর্শক প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী সীমিত টিকিট ছাড়া হলেও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে কোনও ঘাটতি ছিল না। মাঠে ভিড় করেছিলেন অসংখ্য মেরিনার্স সমর্থক।
ম্যাচ শুরুর দিকেই পিছিয়ে পড়ে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। ১২ মিনিটে আক্রমণ তুলে নিয়ে গোল করে পাঞ্জাব এফসি এগিয়ে যায়। ডিফেন্সের ভুল কাজে লাগিয়ে সহজ সুযোগ থেকে গোল করেন ড্যানি রামিরেজ। এর কিছুক্ষণ পরই বড় ধাক্কা খায় মোহনবাগান। ১৭ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন আলবার্তো রডরিগেজ।
তবে ২৯ মিনিটে ম্যাচে ফিরে আসে মোহনবাগান। বাঁদিক থেকে রবসনের পাস জেমি ম্যাকলারেনের কাছে পৌঁছায়। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত শটে গোল করে সমতায় ফেরান তিনি। প্রথমার্ধে আরেকটি গোল হলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে বিরতিতে স্কোরলাইন থাকে ১–১।
দ্বিতীয়ার্ধে আবার এগিয়ে যায় পাঞ্জাব। ভলিতে দুর্দান্ত গোল করে দলকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ইফইং। এরপর ম্যাচে ফেরার জন্য আক্রমণ বাড়ায় মোহনবাগান। ৬৯ মিনিটে পরিবর্তন এনে রবসনের জায়গায় নামানো হয় আবদুল সামাদকে।
এই পরিবর্তনই ম্যাচে বড় ভূমিকা নেয়। ৭৪ মিনিটে ডান পায়ের নিখুঁত শটে দুর্দান্ত গোল করে সমতা ফেরান সামাদ। এরপর ৭৯ মিনিটে পাঞ্জাব আবার এগিয়ে যেতে পারত, কিন্তু দুর্দান্ত সেভ করেন বিশাল কাইথ।
শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়েই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়। ফ্রি কিক থেকে গোল করে মোহনবাগানকে জয় এনে দেন কামিন্স। দু’বার পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে ম্যাচ জিতে নেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।













