কালিয়াচকের ঘটনাকে (Kaliachak Incident) কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখনও কাটেনি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা হয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।
বুধবার রাতে কালিয়াচকের (Kaliachak Incident) বড় জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল। সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ।
এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন জানান, মালদহ জেলায় রাস্তায় অবরোধ এবং অশান্তির ঘটনায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে (Kaliachak Incident)।
পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি ইটাহারের বাসিন্দা এবং পেশায় আইনজীবী। তিনিই মূলত ভিড়কে উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই তথ্য পাওয়া গেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন (Kaliachak Incident)।
মোফাক্কেরুল ইসলামের নামে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় অভিযোগ রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনায় তাঁর যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।
এই ঘটনায় সিআইডির সাহায্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ধৃতকে। অভিযোগ, তিনি ভিড় জড়ো করেছিলেন এবং উস্কানি দিয়েছিলেন। বর্তমানে তদন্ত চলছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা চাইলে এই মামলায় হেফাজতে নিতে পারে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত ছিল এবং কারা উস্কানি দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।











