মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যে জ্বালানির দাম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পেট্রোল ও ডিজেলের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক কমানো হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের সরাসরি খুব বেশি লাভ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে (Petrol Price)।
শুক্রবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পেট্রোলের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক কমিয়ে লিটার প্রতি তিন টাকা করা হয়েছে। ডিজেলের ক্ষেত্রে এই শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে লিটার প্রতি দশ টাকা করে শুল্ক কমানো হয়েছে (Petrol Price)।
পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণে বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে (Petrol Price)। বর্তমানে তা ব্যারেল প্রতি প্রায় একশো ঊনপঞ্চাশ ডলারে পৌঁছেছে। গত কয়েক সপ্তাহে এই দাম লাগাতার বেড়েই চলেছে। তবে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি এখনও সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম খুব বেশি বাড়ায়নি। কিছু ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম জ্বালানির দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু বেসরকারি সংস্থা ইতিমধ্যেই দাম বাড়িয়েছে (Petrol Price)।
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শুল্ক কমানোর মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের জন্য দাম কমানো নয়। বরং তেল বিপণন সংস্থাগুলির উপর যে বাড়তি চাপ পড়ছে, তা কিছুটা কমানোই প্রধান লক্ষ্য।
অর্থাৎ, এখনই পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমার সম্ভাবনা খুব কম। বরং বর্তমানে যে দাম রয়েছে, তা যাতে আর না বাড়ে, সেই দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ছে, ফলে সংস্থাগুলির উপর চাপ বাড়ছে।
এই অবস্থায় কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে আপাতত জ্বালানির দাম স্থির রাখার চেষ্টা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দাম কমার বদলে বাড়তি বৃদ্ধি আটকানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।













