মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালী পারাপার নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে (Middle East Crisis)। জানা গিয়েছে, ইরানের নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি ভারতীয় গ্যাসবাহী জাহাজ নিরাপদে ওই প্রণালী পার হয়েছে। কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগের পরই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে (Middle East Crisis)।
জাহাজে থাকা এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তাঁদের জাহাজটি ছিল দু’টি ভারতীয় জাহাজের মধ্যে একটি, যেগুলিকে নির্দিষ্ট পথ ধরে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে, ইরান প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজকে নিরাপদ পথ দিচ্ছে, আর অন্যদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে (Middle East Crisis)।
প্রণালীতে ঢোকার আগে জাহাজের সমস্ত তথ্য ইরানি নৌবাহিনী সংগ্রহ করে। জাহাজের নাম, পতাকা, কোথা থেকে এসেছে, কোথায় যাবে এবং ক্রু সদস্যদের পরিচয় সবই জানার পর নির্দিষ্ট রুট ধরে এগোতে নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রাপথে পুরো সময় জাহাজটি ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল (Middle East Crisis)।
এই যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না। জাহাজের স্বয়ংক্রিয় পরিচয় ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়েছিল নিরাপত্তার কারণে। পাশাপাশি জিপিএস ব্যবস্থাও ঠিকভাবে কাজ করছিল না, ফলে যাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় নেয়। প্রণালীতে ঢোকার আগে ক্রুরা জরুরি পরিস্থিতির জন্য লাইফ র্যাফ্ট প্রস্তুত করে রেখেছিলেন (Middle East Crisis)।
প্রণালী পার হওয়ার পর অন্য প্রান্তে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ অপেক্ষা করছিল এবং তারা ওই জাহাজকে নিরাপদে এগিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে জাহাজটি ভারতের দিকে রওনা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী এখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও প্রভাব ফেলতে পারে বিশ্ব বাণিজ্যে।













