ইন্ডিগোর (Indigo) বড় সংকটের পর অবশেষে সংস্থার প্রধান নির্বাহী পিটার এলবার্স পদত্যাগ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সংস্থার কর্মীদের মনোবল বাড়াতে একটি বিশেষ বার্তা পাঠালেন ইন্ডিগোর ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাহুল ভাটিয়া। ইমেলে তিনি কর্মীদের আশ্বস্ত করে লিখেছেন, ‘ম্যায় হুঁ না।’
কর্মীদের উদ্দেশে পাঠানো বার্তায় রাহুল ভাটিয়া (Indigo) লিখেছেন, গত ডিসেম্বরে যা ঘটেছিল তা হওয়ার কথা ছিল না। যাত্রীদের এমন পরিস্থিতির মুখে পড়া উচিত ছিল না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংস্থার কর্মীরাও এই পরিস্থিতির প্রাপ্য নন। বিশেষ করে সামনের সারির কর্মীরা কোনও দোষ না থাকা সত্ত্বেও কঠিন সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
তিনি (Indigo) আরও লিখেছেন, সংস্থার সব কর্মীর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। কারণ তাঁরা কঠিন সময়েও সংস্থার দায়িত্ব সম্মানের সঙ্গে পালন করেছেন। অনেকেই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তাঁর মতে, এই কর্মীরাই ইন্ডিগোর আসল শক্তি এবং অনুপ্রেরণা। ইমেলের শেষে নিজের নাম লেখার সময় রাহুল ভাটিয়া মজা করেই লিখেছেন ‘রাহুল ওরফে ম্যায় হুঁ না’।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে ইন্ডিগোর (Indigo)উড়ান পরিষেবায় বড় বিপর্যয় দেখা দেয়। একের পর এক উড়ান বাতিল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রীদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। প্রায় আট দিন ধরে এই সমস্যার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে কেন্দ্র সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। ইন্ডিগোর প্রতিদিনের উড়ান পরিষেবার প্রায় দশ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণাও করে সংস্থা। অতিরিক্ত সমস্যায় পড়া যাত্রীদের জন্য দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাউচার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ভারতের অভ্যন্তরীণ উড়ান পরিষেবার প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশই ইন্ডিগোর নিয়ন্ত্রণে। প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার তিনশো উড়ান পরিচালনা করে এই সংস্থা। সেই পরিষেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটায় দেশের বহু যাত্রী বিপাকে পড়েন। এই ঘটনার পর থেকেই সংস্থার প্রধান নির্বাহী পিটার এলবার্সের উপর চাপ বাড়ছিল। অবশেষে কয়েক মাস পর তিনি পদত্যাগ করেন। এরপরই কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাহুল ভাটিয়া।










