Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ছুটি কাটাতে গিয়ে আটক দম্পতি, জেজু বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার অভিযোগ ভাইরাল
দেশ

ছুটি কাটাতে গিয়ে আটক দম্পতি, জেজু বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধার অভিযোগ ভাইরাল

sachin abasthi
Email :3

দক্ষিণ কোরিয়ায় (South Korea) অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস দক্ষিণ কোরিয়া জেজু দ্বীপে ভিসা ছাড় সুবিধায় ভ্রমণ করতে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা জারি করেছে। দূতাবাস জানিয়েছে, এই ব্যবস্থায় শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি পর্যটনের জন্য জেজু দ্বীপ সফর করা যায় এবং মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি এতে মেলে না। কোরিয়ার (South Korea) আইন অনুযায়ী জেজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন কর্তৃপক্ষই প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় এবং ভিসা ছাড় সুবিধা কোনওভাবেই প্রবেশের নিশ্চয়তা দেয় না।

দূতাবাস আরও স্পষ্ট করে জানায়, ভিসা ছাড়া জেজু থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার চেষ্টা করলে তা বেআইনি বলে গণ্য হবে। নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকা বা অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও কাজ করলে ভবিষ্যতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। প্রবেশে বাধা পেলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে একই বিমান সংস্থার পরবর্তী ফ্লাইটে ফেরত পাঠানো হয় এবং ফ্লাইটের সময় অনুযায়ী অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে থাকতে হতে পারে।

এই সতর্কবার্তার আগে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন ভারতীয় কনটেন্ট নির্মাতা সচিন অবস্থি। তিনি অভিযোগ করেন, ছুটি কাটাতে স্ত্রীকে নিয়ে জেজু সফরে গিয়ে তাঁদের আটক করা হয় এবং দেশে (South Korea) প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি এই অভিজ্ঞতাকে মানসিকভাবে অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেন।

সচিনের দাবি, দক্ষিণ কোরিয়ায় (South Korea) পৌঁছনোর পরই তাঁদের একটি আটক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং প্রবেশে বাধার স্পষ্ট কারণ জানানো হয়নি। তাঁর কথায়, জায়গাটি ছিল কারাগারের মতো, যেখানে সূর্যের আলো বা বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ ছিল না। প্রায় আটত্রিশ ঘণ্টা ধরে দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের ট্রানজিটে আটকে থাকতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁদের ব্যয়বহুল ফেরার টিকিট কিনতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। চীনে ট্রানজিটের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারেও বিধিনিষেধ ছিল এবং পর্যাপ্ত খাবার ও পানীয় দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। নিজের ভিডিও ব্লগে সচিন জানান, সমস্যার সময় দূতাবাসের প্রত্যাশিত সহায়তা পাননি এবং এই পরিস্থিতিতে দূতাবাসের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা উচিত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts