বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের (Tulu Mondal) জন্য কলকাতা হাই কোর্টেও মিলল না স্বস্তি। গ্রেফতারি পরোয়ানাকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছিল। কিন্তু বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলাটি শুনলেন না। তাঁর পর্যবেক্ষণ, একই বিষয়ে করা সমস্ত আবেদন একই বেঞ্চে শুনলে বিষয়টি আরও সুষ্ঠু ভাবে দেখা সম্ভব। সেই কারণে মামলাটি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে (Tulu Mondal)।
বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল (Tulu Mondal) বেশ কিছু দিন ধরেই পুলিশের নজরে রয়েছেন। তাঁর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা উদ্ধারের পর তদন্তে টুলুর নাম সামনে আসে। এর পর তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীদের দাবি, টুলুর বিপুল সম্পত্তির হদিস মিলেছে। প্রায় ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে (Tulu Mondal)।
এই পরিস্থিতিতে টুলুর (Tulu Mondal) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেফতারি এড়াতেই আদালতের দ্বারস্থ হন টুলু।
গ্রেফতারি পরোয়ানার পাশাপাশি তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াকেও আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন টুলু। তবে এর আগেই রক্ষাকবচ চেয়ে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানান, একই মামলাকে ঘিরে একাধিক আবেদন আলাদা বেঞ্চে শুনলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই সব আবেদন একই বেঞ্চে শোনা উচিত।
এই পর্যবেক্ষণের পর মামলাটি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে দ্রুত শুনানির আশা নিয়ে আদালতে গেলেও আপাতত টুলুর স্বস্তি মিলল না।
এর মধ্যেই টুলু মণ্ডলের (Tulu Mondal) বাড়িতে একটি নোটিস সাঁটানো হয়েছে। সেই নোটিসে তাঁকে সিউড়ি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁকে সশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে বলে নোটিসে জানানো হয়েছে।
ফলে একদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা, অন্যদিকে বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তদন্ত এবং আদালতে হাজিরার নির্দেশ—সব মিলিয়ে টুলু মণ্ডলের উপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে মামলার শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেদিকেই নজর সকলের।









