Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • ‘সোহরাওয়ার্দির নাম থাকবে না!’ বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা ঘিরে তোলপাড়
রাজ্য

‘সোহরাওয়ার্দির নাম থাকবে না!’ বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা ঘিরে তোলপাড়

gopal mukherjee road
Email :1

পার্ক সার্কাসের সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করার সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি এদিন বিধানসভাতেও ওঠে। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করলে তার জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সোহরাওয়ার্দির নাম আর রাখা হবে না।

বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি (CM Suvendu Adhikari) রাস্তার নাম পরিবর্তনের পুরো প্রক্রিয়া জানতেন না। তবে এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কোনও প্রকৃত দেশভক্ত বা রাষ্ট্রভক্ত ব্যক্তিত্বের নামে রাস্তার নামকরণ হলে তা স্বাগত। কিন্তু সোহরাওয়ার্দির নাম কেন থাকবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) আরও দাবি করেন, কলকাতার ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাঁদের যথাযথ সম্মান দেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নামকরণ নতুন করে মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

এই বিতর্কের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী একটি নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা করেন। পদ্মশ্রী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজের নেতৃত্বে এই কমিটি বিভিন্ন রাস্তা, এলাকা ও স্থাপনার নাম পর্যালোচনা করবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা নাগরিকদের কাছ থেকেও প্রস্তাব নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, সোহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম হুসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দির নামে রাখা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, রাস্তার নামকরণ হয়েছিল মৌলানা উবেইদুল্লাহ আল উবেইদি সোহরাওয়ার্দির নামে। সেই ঐতিহাসিক তথ্য বিবেচনা না করেই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, গোপাল মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে সম্মান জানাতে হলে অন্য কোনও রাস্তার নামকরণও করা যেত। তবে ইতিহাসের তথ্য যাচাই না করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেন।

রাস্তার নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে এখন রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং রাজনৈতিক অবস্থান— এই তিনকে ঘিরেই আগামী দিনে বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts