ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েন ক্রমশ প্রকাশ্যে এসেছে। এর মধ্যেই বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির (TMC Ritobrato Bloc) নতুন জেলা সভাপতি ও রাজ্য নেতৃত্বের তালিকা ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চার জন্ম দিয়েছে। এই ঘোষণার ফলে সংগঠনের বড় অংশই তাঁদের পাশে রয়েছে বলে দাবি করেছে ঋতব্রত শিবির।
শনিবার তপসিয়ায় জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পর জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয় (TMC Ritobrato Bloc)। সেই তালিকায় উঠে এসেছে তৃণমূলের বহু পরিচিত ও অভিজ্ঞ নেতার নাম। বীরভূমের দায়িত্ব পেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এছাড়া হাওড়ার দায়িত্বে অরুণাভ সেন, জলপাইগুড়িতে মহুয়া গোপ, দার্জিলিংয়ে রঞ্জন সরকার, আলিপুরদুয়ারে বিনোদ বেজ, মালদহে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলিতে সন্তোষ সিং পাপ্পু, ডায়মন্ড হারবারে শুভাশীষ দাস এবং আরও একাধিক জেলায় নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে (TMC Ritobrato Bloc)। একই সঙ্গে রাজ্য কমিটিতেও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, অশোক রুদ্র, স্বর্ণকমল সাহা, দেবালিনা বিশ্বাস-সহ একাধিক প্রবীণ নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শান্তনু সেন, নারায়ণ গোস্বামী, বিধান উপাধ্যায়, রঞ্জন সরকার-সহ তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। দলের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শান্তনু সেন, আখরুজ্জামান, কোহিনুর মজুমদার, সুদীপ রাহা এবং আরও কয়েক জন নেতা।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল বলেন, তিনি দীর্ঘদিন দলকে দিয়েছেন, কিন্তু জেল থেকে ফিরে জেলা সভাপতির পদ না পাওয়ায় তিনি কষ্ট পেয়েছিলেন। এবার নতুন দায়িত্ব নিয়ে তিনি বীরভূমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবেন বলেও জানান।
তবে এখনও সব জেলার দায়িত্ব ঘোষণা করা হয়নি। কোচবিহার, পূর্ব মেদিনীপুর, বনগাঁ এবং বারাকপুর-সহ কয়েকটি জেলার সভাপতির নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রতীক, নাম এবং সাংগঠনিক স্বীকৃতি নিয়ে লড়াই চলার মধ্যেই এই নতুন সংগঠন ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।









