নামের মিল থেকেই তৈরি হল বড়সড় বিভ্রান্তি। আর সেই ঘটনাকে ঘিরেই শনিবার দিনভর রাজনৈতিক মহলে চলল জোর আলোচনা। তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আচমকাই হাজির হন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। তাঁকে দেখে অনেকেই মনে করেন, তিনি হয়তো ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিতে এসেছেন। যদিও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নির্মল ঘোষ জানান, তাঁর হৃদয়ে এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন। তবুও জল্পনা থামেনি।
বৈঠক শেষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান, তাঁদের সংগঠনের যে নির্মল ঘোষের (Nirmal Ghosh) নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তিনি পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নন। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের এক শ্রমিক নেতা। ঋতব্রতের দাবি, পানিহাটির নির্মল ঘোষকে তাঁদের বৈঠকে কেউ আমন্ত্রণ জানাননি। তিনি কেন সেখানে এসেছিলেন, তা তাঁরাই জানেন না।
ঋতব্রত আরও বলেন, তপসিয়া এলাকায় বহু রেস্তরাঁ রয়েছে। নির্মল ঘোষকে (Nirmal Ghosh) বাইরে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল। অনেকেই ভুল করে ভেবেছেন, তিনি তাঁদের বৈঠকে যোগ দিতে এসেছেন। কিন্তু বাস্তবে তাঁকে ডাকা হয়নি এবং তাঁদের রাজনৈতিক পরিকল্পনায় তাঁর কোনও ভূমিকা নেই।
অন্যদিকে নির্মল ঘোষের (Nirmal Ghosh) বক্তব্যেও ধোঁয়াশা তৈরি হয়। প্রথমে তিনি জানান, তিনি যোগ দিতে আসেননি, শুধু জাভেদ খানের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। পরে আবার দাবি করেন, আমন্ত্রণ পেয়েই তিনি এসেছেন। এই প্রসঙ্গে ঋতব্রত বলেন, যদি সত্যিই আমন্ত্রণ পেয়ে থাকেন, তাহলে কে তাঁকে ফোন করেছিলেন, সেটি প্রকাশ করুন। তাঁর দাবি, তাঁদের পক্ষ থেকে নির্মল ঘোষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্মল ঘোষের উপস্থিতি কি শুধুই কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়ে এখন নানা মহলে জল্পনা চলছে।







