মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করা পাঞ্জাবি বংশোদ্ভূত এক মহিলাকে আটক করা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে (Indian Origin)। মিনু বাত্রা নামে ওই তিপ্পান্ন বছরের মহিলা টেক্সাসের বাসিন্দা এবং পেশায় আদালতের ভাষান্তরকার হিসেবে কাজ করতেন (Indian Origin)। গত মার্চ মাসে একটি কাজে যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাঁকে মেক্সিকো সীমান্তের কাছে একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মিনু বাত্রার (Indian Origin) চার সন্তানই মার্কিন নাগরিক এবং তিনি একাই তাঁদের বড় করেছেন। তাঁর ছোট ছেলে সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন এবং মায়ের মুক্তির জন্য আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগ, আটক করার পর প্রায় এক দিন তাঁকে খাবার ও জল ছাড়া রাখা হয়েছিল। এছাড়া শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবীরা। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দেয় এবং কিছু সময়ের জন্য কথা বলার ক্ষমতাও হারান তিনি (Indian Origin) ।
দীর্ঘদিন ধরে মিনু বাত্রা পাঞ্জাবি, হিন্দি ও উর্দু ভাষায় দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অভিবাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে আসছিলেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি আদালতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বহু পুরনো এক বহিষ্কার নির্দেশ থাকলেও, আদালত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল তাঁকে ভারতে ফেরত পাঠানো যাবে না। তবে সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্থায়ীভাবে থাকার অধিকার পাননি তিনি।
আইনজীবীদের দাবি, এত বছর ধরে বৈধভাবে কাজ করা এবং কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে আটক করা বেআইনি। তাঁরা দ্রুত মুক্তির আবেদন জানিয়েছেন আদালতে। ইতিমধ্যেই আদালত সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে বলেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিবাসন নীতি এবং মানবাধিকারের প্রশ্নে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী এবং সমাজের সঙ্গে যুক্ত একজনকে এভাবে আটক করা কতটা যুক্তিযুক্ত।












