প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্বোধনের ঠিক আগেই রাজস্থানের একটি বড় শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে (Explosion)। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং শোধনাগার কর্তৃপক্ষ দ্রুত তৎপর হয়ে ওঠে। এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি, তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা চলছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, শোধনাগারের একটি ইউনিটে হঠাৎ আগুন লাগে। আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায় (Explosion)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুনের শিখা এবং ঘন কালো ধোঁয়া প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকেও দেখা যাচ্ছিল। আগুনের তীব্রতায় আশপাশের এলাকাতেও উদ্বেগ ছড়ায়। বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখে অনেকেই আশঙ্কা করছেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছেছে দমকলের ২০টিরও বেশি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরন্তর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে। যাতে আগুন আরও ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য বিশেষ নজরদারি চলছে (Explosion)।
এই শোধনাগারটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। রাজস্থান সরকার এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি হয়েছে। বিদেশি তেলের উপর নির্ভরতা কমাতে এবং দেশকে আত্মনির্ভর করার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে। ২০১৩ সালে এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল, পরে ২০১৮ সালে নতুন করে কাজ শুরু হয় এবং ব্যয়ও বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে।
উদ্বোধনের আগে এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে এখন বড় প্রশ্ন উঠছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই রহস্যের সমাধান মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।













