রবিবার ‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যুবক-যুবতীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি যুবক-যুবতী অংশ নেন। তাঁরা সীমান্তবর্তী গ্রাম সফরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন এবং জানান, প্রত্যন্ত এলাকায় উন্নয়নের নানা কাজ কীভাবে মানুষের জীবনে পরিবর্তন এনেছে (PM Modi)।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একাধিক যুবক-যুবতী জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁরা এমন সব সীমান্তবর্তী গ্রামে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যেখানে আগে কখনও যাওয়ার কথা ভাবেননি। সেখানে গিয়ে তাঁরা রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তন কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁদের মতে, প্রত্যন্ত এলাকাতেও এখন উন্নয়নের ছাপ স্পষ্ট (PM Modi)।
অংশগ্রহণকারী নিকিতা জানান, সীমান্তের একটি পাহাড়ি গ্রামে যাওয়ার আগে তাঁর ধারণা ছিল সেখানে বিদ্যুৎ বা মোবাইল পরিষেবা থাকবে না। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি দেখেন। উন্নত রাস্তা, নিয়মিত বিদ্যুৎ এবং মোবাইল সংযোগ দেখে তিনি বিস্মিত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, কয়েক বছর আগেও এই সুযোগ-সুবিধার অনেকটাই ছিল না।
নিকিতার দাবি, গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, নতুন রাস্তা তৈরি হওয়ার ফলে যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ ও মোবাইল পরিষেবাও আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও মানুষের আস্থা বেড়েছে এবং দৈনন্দিন জীবন অনেক সহজ হয়েছে।
দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ থেকে অংশ নেওয়া দিব্যাংশু যোশী বলেন, সীমান্তবর্তী গ্রাম সফর তাঁর জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। তাঁর বক্তব্য, দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্ম দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে প্রস্তুত। দেশের স্বার্থকেই তাঁরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চান।
এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল দেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যুবসমাজকে সরাসরি অভিজ্ঞতা দেওয়া। বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্ত এলাকার গ্রামগুলিতে গিয়ে তরুণ-তরুণীরা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক কাছ থেকে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় তুলে ধরেন।












