Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • ‘পৃথিবী থেকে যত তাড়াতাড়ি বিদায় হয়…’, শুভেন্দুকে নিয়ে হুমায়ুনের বিস্ফোরক মন্তব্য
জেলা

‘পৃথিবী থেকে যত তাড়াতাড়ি বিদায় হয়…’, শুভেন্দুকে নিয়ে হুমায়ুনের বিস্ফোরক মন্তব্য

humayun kabir
Email :1

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছেন বলে অভিযোগ। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) বক্তব্যের একটি অংশে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে অসম্মান করলে ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন। এর পরেই তিনি শুক্রবারের নামাজের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায়ের জন্য প্রার্থনা করার কথা বলেন।

শুধু তা-ই নয়, নিজের বক্তব্যে একাধিক প্রাক্তন রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুর প্রসঙ্গও টেনে আনেন হুমায়ুন (Humayun Kabir)। তাঁর বক্তব্যের সারকথা ছিল, ক্ষমতা বা রাজনৈতিক পদ নিয়ে অহংকার করলে তার পতন হতে পারে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করার অংশটিই তাঁর বক্তব্যের সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি করেছে।

হুমায়ুনের (Humayun Kabir) এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়েও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক হয়েছে। এর আগে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য নিয়েও রাজনৈতিক চাপানউতোর হয়েছিল।

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে হুমায়ুনের (Humayun Kabir) মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কারও নীতি বা রাজনৈতিক অবস্থান পছন্দ না-ও হতে পারে। কিন্তু তাই বলে কারও মৃত্যু কামনা করা যায় কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

শারদ্বত বলেন, বাংলার রাজনীতিতে রাজনৈতিক সৌজন্যের মান নেমে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, এত প্রকাশ্য ভাবে কাউকে নিয়ে এমন মন্তব্য করা হবে, তা তিনি ভাবেননি। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী জনগণের ভোটেই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হুমায়ুনের (Humayun Kabir) বক্তব্যের জবাবে শারদ্বত বলেন, ‘শকুনের অভিশাপে গরু মরে না।’ এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যের পুরো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত একাধিকবার সামনে এসেছে। বিভিন্ন সভা ও বক্তব্যে দু’জনকে পরস্পরের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করতেও দেখা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তিকে নিয়ে প্রকাশ্যে মৃত্যু কামনার বক্তব্যের অভিযোগ তাই নতুন করে রাজনৈতিক সৌজন্য, ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা এবং রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য এবং তার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া—দুই নিয়েই বিতর্ক এখন আরও তীব্র হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts