Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • তন্ত্রসাধনায় দীক্ষার নাম করে ভয়ঙ্কর ফাঁদ! তারাপীঠে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে অচৈতন্য করার অভিযোগ
জেলা

তন্ত্রসাধনায় দীক্ষার নাম করে ভয়ঙ্কর ফাঁদ! তারাপীঠে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে অচৈতন্য করার অভিযোগ

arrested
Email :2

তন্ত্রসাধনায় দীক্ষা দেওয়ার নাম করে এক যুবতীকে প্রতারণা, জোর করে বিয়ে এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে (Tarapith)। কোচবিহারের ওই যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে তন্ময় ঘোষ ওরফে তারকনাথ কাপালিক ওরফে অঘোরী তান্ত্রিককে সোদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বারাকপুর আদালতে তোলা হলে তাঁর সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আধ্যাত্মিক বিষয়ে আগ্রহ থেকেই কোচবিহারের ওই তরুণীর সঙ্গে তন্ময়ের যোগাযোগ হয়। অভিযোগ, তন্ত্রসাধনায় দীক্ষা দেওয়ার কথা বলে তাঁকে কোচবিহার থেকে তারাপীঠে (Tarapith) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি পানীয় খাওয়ার পর তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ।

যুবতীর দাবি, সেই অবস্থাতেই তাঁর সঙ্গে তন্ময়ের মালাবদল করানো হয়। পরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন ওই তান্ত্রিক। প্রথম দিকে তন্ময়ের বিবাহিত জীবনের কথা জানতেন না বলে অভিযোগ যুবতীর (Tarapith)। পরে দু’জনে খড়দহের স্বদেশি মোড়ের কাছে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন।

সেখানেই যুবতী জানতে পারেন, তন্ময় বিবাহিত এবং তাঁর ১১ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। বিষয়টি জানার পর নিজেকে প্রতারণার শিকার মনে করে ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চান তিনি।

অভিযোগ, সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। যুবতীর দাবি, তাঁর সঙ্গে তন্ময়ের ব্যক্তিগত ছবি রয়েছে এবং সেই ছবি প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন তিনি (Tarapith)।

এর পর কোচবিহারে ফিরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই যুবতী। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারীরা সোদপুর স্টেশন থেকে তন্ময়কে গ্রেপ্তার করেন।

পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, তন্ত্রসাধনার নাম করে তন্ময় আরও কোনও মহিলার সঙ্গে একই ভাবে যোগাযোগ করেছিলেন কি না। তাঁদের কাছ থেকে টাকা বা অন্য কোনও সুবিধা নেওয়া হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

শুক্রবার বারাকপুর আদালতে তোলা হলে অভিযুক্ত তন্ময় ঘোষকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি এবং অভিযুক্তের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts