একই রাতে পরপর বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই বসিরহাটে (Basirhat) ফের এক বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা সামনে আসে। গুরুতর জখম অবস্থায় রোহিত রায় নামে ওই বিজেপি কর্মীকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে (Basirhat)।
বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ চন্দ্রনাথ রথের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে এসে দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। হামলাকারীদের মাথায় হেলমেট ছিল বলে জানা গিয়েছে। যে গাড়িতে হামলা হয়েছে, তার কাচে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেটও ছিল না। ফলে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এরই মধ্যে বসিরহাটে (Basirhat) বিজেপির সক্রিয় কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার পিছনে রয়েছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে আহত রোহিত দাবি করেন, তাঁরা এলাকায় বিজেপির পতাকা লাগাচ্ছিলেন। সেই সময় কয়েকজন এসে প্রথমে গুলি চালায়। তিনি পালানোর চেষ্টা করলে পরে ফের এলোপাথাড়ি গুলি করা হয়। ঘটনায় কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেছেন তিনি (Basirhat)।
দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি এবং কংগ্রেস দুই দলই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। কংগ্রেস নেতা অশোক লাহিড়ি বলেন, চন্দ্রনাথ রথের খুন অত্যন্ত মর্মান্তিক। তিনি দাবি করেছেন, দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি শোকপ্রকাশ করেছেন চন্দ্রনাথের পরিবার এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি।













