বিরোধী দলনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা সতীশন দলের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন (Kerala)। তিনি বাম সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক সময়ে সরব হয়েছেন এবং দলের ভিতরে তাঁর সমর্থনও যথেষ্ট। সংখ্যালঘু সহযোগী দলের সমর্থনও তাঁর পক্ষে রয়েছে, যা তাঁকে এগিয়ে রাখছে। তবে কিছু সমাজগোষ্ঠীর মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে (Kerala)।
অন্যদিকে, অভিজ্ঞ নেতা চেন্নিথালাও মুখ্যমন্ত্রী পদে অন্যতম দাবিদার। তিনি আগে বিরোধী দলনেতা ছিলেন এবং দলের ভিতরে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রভাবশালী সামাজিক সংগঠনের সমর্থন তাঁর বড় শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে (Kerala)।
এই দুই নেতার পাশাপাশি সামনে এসেছে ভেনুগোপালের নামও। যদিও তিনি নির্বাচনে লড়েননি, তবুও দলের ভিতরে তাঁর প্রভাব এবং সমর্থন নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। অনেক নবনির্বাচিত বিধায়ক তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও জানা যাচ্ছে, যা তাঁকে দৌড়ে এগিয়ে রাখছে।
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, সকলের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে একজন নেতাকে সামনে আনা। কারণ একাধিক নেতা যদি দাবি জানান, তবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে (Kerala)।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুধু নেতা নির্বাচন নয়, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হবে। সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য প্রভাবশালী গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব ঠিকভাবে নিশ্চিত না হলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
এরই মধ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলকে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা চলছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় ফিরলেও, আসল পরীক্ষা এখন শুরু হতে চলেছে দলের ভিতরেই।











