প্রথম দফার ভোটের শেষ দিকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এল। কোচবিহারের সিতাই এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে (WB Election)। তাঁকে ছুরি মেরে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তৃণমূল সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে (WB Election)।
আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম জাহানুর ইসলাম। তিনি একটি বুথে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন (WB Election)। অভিযোগ, কয়েকজন দুষ্কৃতী আচমকা তাঁর উপর হামলা চালায় এবং ছুরি দিয়ে আঘাত করে। তাঁর দাবি, তৃণমূল সমর্থকেরাই এই হামলা করেছে। ঘটনার পর তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
এ দিকে শিলিগুড়িতে বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, বুথের একশো মিটারের মধ্যে পুলিশ উপস্থিত ছিল, যা নিয়মের বিরুদ্ধ। এই বিষয় নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। এই ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (WB Election)।
একই দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন এলাকাতেও তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। একটি বুথের কাছে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছয়। এই ঘটনায় কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আহত হন। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বুথের কাছে গিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছিলেন। বাধা দিতে গেলে তাঁদের উপর হামলা করা হয়।
অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কর্মীরাই প্রথমে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছিলেন এবং প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূল সমর্থকদের উপর আক্রমণ করা হয়। এই ঘটনায় তাঁদের কয়েকজন কর্মীও আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বর্তমানে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভোটের দিন একাধিক জায়গায় এই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।












