Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • বিকেলের আগুনে জ্বলল বীরভূম! ইভিএম নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগে খয়রাশোলে খণ্ডযুদ্ধ
জেলা

বিকেলের আগুনে জ্বলল বীরভূম! ইভিএম নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগে খয়রাশোলে খণ্ডযুদ্ধ

birbhum central force and tmc clash
Email :7

প্রথম দফার ভোটের শেষলগ্নে বীরভূমের খয়রাশোলে আচমকাই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ঘিরে বুধপুর গ্রামের একটি বুথে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা রণক্ষেত্রের আকার নেয় (Birbhum)। ভোটারদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট প্রতীকে বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ।

খয়রাশোল ব্লকের ৬৫ নম্বর বুথে দুপুর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে (Birbhum)। বিকেলের দিকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। ক্ষুব্ধ ভোটাররা ভোট বন্ধ করার দাবি তোলেন এবং ভোটকর্মীদের চাপ দিয়ে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই শুরু হয় অশান্তি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। একের পর এক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে এগিয়ে যায়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জওয়ান আহত হন (Birbhum)।

পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করতে হয়। গোটা এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চলে।

সকাল পর্যন্ত মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোট চললেও দুপুরের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসতে শুরু করে। নির্বাচন কমিশন আগেই আশঙ্কা করেছিল, বিকেল চারটার পর বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলিতে অশান্তি হতে পারে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয় খয়রাশোলে (Birbhum)।

এ দিন মুর্শিদাবাদের নওদাতেও অশান্তির ঘটনা সামনে আসে। কুমারগঞ্জ, লাভপুর সহ একাধিক জায়গায় উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়। পটাশপুরে এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও সামনে এসেছে।

বীরভূমের মুরারই এলাকাতেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। গোরসা গ্রামের একটি বুথে কংগ্রেস ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। অভিযোগ, ভোট দিতে যাওয়ার সময় কংগ্রেস সমর্থকদের নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করতেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই পক্ষের কয়েকজনকে আটক করে।

প্রথম দফার ভোটের শেষ মুহূর্তে এই সব ঘটনার জেরে রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts